প্রতিদিন একটি করে আমলকি খাওয়ার নিয়ম করতে হবে। কারণ আমলকি আপনার স্বাস্থ্যের জন্য অধিক উপকারি। এতে রয়েছে আমাদের দেহের জন্য ভেজসের উপাদান। এই ফলটি আপনাকে শারীরিক ও মানসিক প্রশান্তির নিয়শ্চয়তা দেয়। জেনে নেওয়া যাক আমলকির কিছু উপকারিতা-

আমলকির উপকারিতা
১. আমলকি চোখ ভালো রাখতে উপকারী ভূমিকা পালন করে। এই ফলটিতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখ ভালো রাখে।
২. আমলকি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে, মানসিক চাপ কমায়। কফ, বমি, অনিদ্রা, ব্যথা-বেদনায় অনেক উপকারী কাজ করে।
৩. আমলকির রস কোষ্ঠকাঠিন্য, পাইলসের সমস্যা দূরত করতে সাহায্য করে। এছাড়াও এই ফলটি পেটের গোলযোগ ও বদহজম দূর করে।
৪. আমলকি চুলের টনিক হিসেবে খুব ভালো কাজ করে। চুলের পরিচর্যার ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা হয়। এটি চুলের গোড়া মজবুত এবং বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এটি চুলের খুসকির সমস্যা রোধ করে ও চুল পাকা কমায়।
৫. শরীর ঠান্ডা রাখে, শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়ায়, পেশী মজবুত করে। ব্রঙ্কাইটিস ও এ্যাজমার জন্য আমলকির জুস খুবই উপকারী।
৬. আমলকি ফুসফুস ও হৃদযন্ত্রকে শক্তিশালী করে এবং দুর্বলতা দূর করে। মস্তিষ্কে শক্তি যোগায়। শরীরের অপ্রয়োজনীয় চর্বি বার্ন করতে সাহায্য করে।
৭. আমলকি মুখের রুচি ও স্বাদ বাড়ায়। খিদে বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। আমলকির মোরব্বা খেতে অনেক সুস্বাদু এবং এটি শরীরের অনেক উপকার করে।
৮. এক গ্লাস পরিমাণ দুধ বা পানির মধ্যে আমলকী গুঁড়ো ও সামান্য চিনি মিশিয়ে খেতে পারেন। গ্যাসের সমস্যা কম রাখতে সাহায্য করবে।
৯. অর্ধেক পরিমাণ চূর্ণ শুষ্ক ফল এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে খেলে হজম সমস্যা থাকবে না। ভাতের সাথে আমলকীর আচার হজমে সাহায্য করবে।
১০. প্রতিদিন সকালে আমলকীর রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। তাতে মুখের কালো দাগ দূর হবে এবং ত্বকেরউজ্জ্বলতা বাড়াবে।
১১. আমলকীর রস চোখের বিভিন্ন রকম সমস্যা যেমন চোখের প্রদাহ, চোখ চুলকানি বা পানি পড়ার সমস্যা থেকে রেহাই দেবে।
১২. প্রতিদিন আমলকীর রস খেলে নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর হয় এবং দাঁত শক্ত থাকে।
১৩. এটি নিয়মিত খেলে মানসিক চাপ কমায়, অনিদ্রা, ব্যাথা-বেদনায় অনেক উপকার দেয়।
১৪. লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা বাড়িয়ে তুলে দাঁত ও নখ ভাল রাখে। এর এ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ফ্রি র্যাডিকালস করতে সাহায্য করে।
১৫. ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কোলেস্টরেল লেভেলেও কম রাখতৈ যথেষ্ট সাহায্য করে।